লণ্ডন
৬ই জানুয়ারি ১৯৭০
প্রিয় সন্দীপন,
আপনার পাঠানো 'ব্লুজ' পত্রিকায় সুবো আচার্য লিখিত একটি প্রবন্ধ ( নাম : আমার জেনারেশন বিষয়ে ব্যক্তিগত ) পড়েছি এবং এ-বিষয়ে আমার দু'একটি কথা বলার আছে । আপনার পত্রিকায় এই চিঠিটা ছাপবেন যদি স্হানাভাব না হয় এবং যদি ছাপান তবে পুরোটাই ছাপাবেন । ঐ লেখাটির প্রধান গুণ সরলতা বা ইংরেজিতে যাকে বলে ডিরেকটনেস কিন্তু তা সত্ত্বেও আমার দু'একটি জায়গা বুঝতে অসুবিধে হয়েছে যদিও আমি নিজের মতো একটা মানে করে নিয়েছি ঐ কঠিন অংশগুলির এবং সেই মতোই এই চিঠি লিখছি । আমার বোঝায় ভুল থাকলে আপনারা, বলা বাহুল্য, আমাকে সংশোধন করে দেবেন ।
কলকাতা শহর কারা চালায় ? অধ্যক্ষরা, মন্ত্রীরা, ব্যবসায়ীরা, চিত্রপরিচালকরা, খবরকাগজওয়ালারা এবং মালিকেরা ও বিদেশী কোম্পানী, জুট মিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি, অসংখ্য ছোটোখাটো কলেজ, তাদের অধ্যাপকরা --- এঁরাই কলকাতা শহর চালান । এঁদেরই ব্যবহারের জন্য কলে জল পড়ে, এঁদেরই অর্থবৃদ্ধির জন্য সিনেমা তৈরি হয়, বই লেখা হয়, ছেলেমেয়েরা পরীক্ষায় পাশ করে । এঁদের আক কথায় বলা চলে 'প্রতিষ্ঠান' এবং সেই প্রতিষ্ঠানেরই উপকারে লাগি আমরা । যতোদিন এই প্রতিষ্ঠানের হাতে ক্ষমতা এবং পয়সা আছে ততদিন সমরেশ বসু আন্তরিক না বিমল কর আন্তরিক এই প্রশ্ন হাস্যকর কেননা উ্যয়েই ঐ প্রতিষ্ঠানের কাজে লাগছেন । প্রতিষ্ঠান উপকৃত হচ্ছে উভয়কে দিয়েই । সুতরাং প্রতিষ্ঠানের ইচ্ছামতো অমুক লেখক আধ ইঞ্চি বেশি আন্তরিক হল এই শারদীয় সংখ্যায় --- সামনের বছর অন্য কেউ দেড় ইঞ্চি আন্তরিক হবেন । এই ষড়যন্ত্র কতখানি গভীর এবং ব্যাপক তা পপত্যেক তরুণের লেখকের, আজ, বাংলা দেশে, বোঝার সময় এসেছে এবং এখনি সময়, ঐ প্রতিষ্ঠানকে আমূল উপড়ে ফেলার । তার জন্য দুটি জিনিস দরকার : ( এক ) ভাষা, ( দুই ) বন্দুক । প্রথম ভাষা ব্যাপারটিকে ধরা যাক । আমরা যে বাংলা ভাষায় আজ কথা বলি বা লিখি তা মোটামুটি রবীন্দ্রনাথেরই তৈরী । আমাদের বাক্যগঠন, বানানরীতি, শব্দবিচার সবই ঐ ছাব্বিশখণ্ড থেকে তৈরী হয়েছে । এবং আমি বা আপনি এটা যতো না ভালো জানি, প্রতিষ্ঠান জানে আরো ভালো ভাবে । সুতরাং আমাদের শাসনের জন্য, আমাদের সর্বস্ব গ্রাস করার জন্য ঐ ভাষাই ব্যবহৃত হচ্ছে । ঐ ভাষায় 'আত্মার স্বাধীনতা' ঘোষণা করা যায় না এবং 'আত্মার স্বাধীনতা' ঘোষণা যদি কবিতা হয়, তবে ঐ ভাষায় আজ আর কবিতা লেখাও চলে না । অর্থাৎ 'বাংলা ভাষা'তেই কবিতা লেখা অসম্ভব ।
কিন্তু বাংলা ভাষা মানে রবীন্দ্রনাথের ভাষা নয় ।
এবং কবিতা কী ?
মেদিনীপুরে একবার এক মহিলা কথাচ্ছলে বলেছিলেন :
চাষা কিবা বোঝে ঘি-এর মর্ম
আনে কর্পুর লাগায় পোঁদে
বস্তুত ঐ উক্তির গম্ভীর সারল্যে আমি অভিভূত হয়ে যাই এবং আজ আমার মনে হয় : "রূপনারানের তীরে জেগে উঠিলাম' যদি 'অবিনাশী কবিত্ব হয় তবে ঐ মহিলার উক্তি অধিকতর অবিনশ্বর । ( দ্রষ্টব্য : কে রবীন্দ্রনাথ : সমবেত প্রতিদ্বন্দ্বী : পৃষ্ঠা ১০২ সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় ) ।
সুতরাং, আমাদের নির্মমভাবে, এক নতুন ভাষা তৈরী করা দরকার । আমাদের প্রচলিত বাক্যরীতি, শব্দব্যবহার সমস্তই বর্জন করে এক অভিনব গদ্য তৈরি করা দরকার যা দিয়ে নাটক, কবিতা, গল্প সবই লেখা চলে । এর জন্য আমাদের খুঁজে বের করতে হবে গ্রামের শব্দ, লৌকিক বাক্যরীতি, আসামী উড়িয়া বিহারী বাক্যরীতি --- আমাদের যে নতুন ভাষা তৈরী হবে তা হল ঐ বিভিন্ন ভাষা পদ্ধতির সমন্বয় । আমরা ত্রাণ করতে পারি একমাত্র ঐ নতুন ভাষা দিয়ে ।
আর পারি বন্দুক দিয়ে ।
কেননা কর্তারা অনেকদিন হল ভুলে গেছেন ভয় কাকে বলে । লাইসেন্স নিয়ে মাথা ঘামাবেন না, কারণ যে কাজে ঐ মারণাস্ত্র ব্যবহার হবে তার জন্য পৃথিবীর কোনো সরকারই কোনোদিন লাইসেন্স দেয়নি । আমরা কাঁধে বন্দুক ঝুলিয়ে, জলের পাইপ বেয়ে, রাত্রির অন্ধকারতে উঠে যেতে চাই প্রিন্সিপালের শোবার ঘরে । ওখানেই আমরা তাঁর ইন্টারভিউ নিতে চাই । ভয় হচ্ছে সেই বস্তু যা শয়তানকে দিয়েও সত্য কথা বলায় । বলা বাহুল্য, প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসে প্রথমে আপনাকে নানারকম বোঝানোর চেষ্টা করবে । প্রতিষ্ঠান বলবে : ও হে, না হে, এটা ভালো নয় । আপনার তখন খুবই ইচ্ছে হবে তর্ক করে পরাস্ত করার । ( কেননা আপনার গায়ে তখনও শিক্ষিতের দুর্গন্ধ লেগে আছে ) প্রতিষ্ঠানই আপনাকে বুঝিয়েছে আপনি বুদ্ধিমান যেহেতু আপনি তর্ক করেন )। কিন্তু প্রতিষ্ঠান যখন আপনার হাত থেকে ছোঁ মেরে পয়সাগুলো কেড়ে নেয় তখন সে আপনাকে তর্কের অবকাশ দেয় কি ? ধরে নিলাম, আপনি ঐ ফাঁদে পা দিলেন না, কেননা আপনি তেমন লেখাপড়া করেননি । তখন প্রতিষ্ঠান বলবে : ওহে, অবনীবাবুকে মেরো না, ধরণীবাবুকে মারো । অর্থাৎ আপনার মনে সন্দেহ জাগানোর চেষ্টা করবে । আপনি ষদি ভাবতে শুরু করেন তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার চিন্তা কেটে যাবে কারণ নিজে শুনবেন পুলিশের বাঁশি ডাকছে ।
তরুণ লেখক ! আপনার উদ্দেশ্য হত্যা । আপনার লক্ষ্য ভায়োলেন্স । আপনি এতদিনে বুঝেছেন কবিতারই অপর নাম কার্তুজ এবং কবির অস্তিত্ব শতকরা একশোভাগ পোলিটিকাল ।
প্রতিষ্ঠান আপনাকে আরো নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করবে । সে ব্যবহার করবে আপনারই অতিপরিচিত শঠ শব্দগুলি । সে বলবে : তবে কি তোমরা সশস্ত্র বিপ্লব চাও ( খবরের কাগজের ভাষা : ঐ প্রতিষ্ঠানেরই মালিক । ) তবে কি তোমরা নিরীহ মা-বাপ ভাই-বোনেদের কথা ভুলে গেলে ( নাটকের ভাষা : ঐ প্রতিষ্ঠানেরই অভিনীত । ) আপনার তখন চিৎকার করে শুধু একটাই ঘোষণা করার থাকবে : আমি চাই কবিতা । আমরা চাই বন্দুক ।
আমরা, আজ, চাই কবিতা ও বন্দুক । এর মাঝামাঝি কোনো রফা নয় ।
ইতি
উৎপলকুমার বসু
৬ই জানুয়ারি ১৯৭০
প্রিয় সন্দীপন,
আপনার পাঠানো 'ব্লুজ' পত্রিকায় সুবো আচার্য লিখিত একটি প্রবন্ধ ( নাম : আমার জেনারেশন বিষয়ে ব্যক্তিগত ) পড়েছি এবং এ-বিষয়ে আমার দু'একটি কথা বলার আছে । আপনার পত্রিকায় এই চিঠিটা ছাপবেন যদি স্হানাভাব না হয় এবং যদি ছাপান তবে পুরোটাই ছাপাবেন । ঐ লেখাটির প্রধান গুণ সরলতা বা ইংরেজিতে যাকে বলে ডিরেকটনেস কিন্তু তা সত্ত্বেও আমার দু'একটি জায়গা বুঝতে অসুবিধে হয়েছে যদিও আমি নিজের মতো একটা মানে করে নিয়েছি ঐ কঠিন অংশগুলির এবং সেই মতোই এই চিঠি লিখছি । আমার বোঝায় ভুল থাকলে আপনারা, বলা বাহুল্য, আমাকে সংশোধন করে দেবেন ।
কলকাতা শহর কারা চালায় ? অধ্যক্ষরা, মন্ত্রীরা, ব্যবসায়ীরা, চিত্রপরিচালকরা, খবরকাগজওয়ালারা এবং মালিকেরা ও বিদেশী কোম্পানী, জুট মিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি, অসংখ্য ছোটোখাটো কলেজ, তাদের অধ্যাপকরা --- এঁরাই কলকাতা শহর চালান । এঁদেরই ব্যবহারের জন্য কলে জল পড়ে, এঁদেরই অর্থবৃদ্ধির জন্য সিনেমা তৈরি হয়, বই লেখা হয়, ছেলেমেয়েরা পরীক্ষায় পাশ করে । এঁদের আক কথায় বলা চলে 'প্রতিষ্ঠান' এবং সেই প্রতিষ্ঠানেরই উপকারে লাগি আমরা । যতোদিন এই প্রতিষ্ঠানের হাতে ক্ষমতা এবং পয়সা আছে ততদিন সমরেশ বসু আন্তরিক না বিমল কর আন্তরিক এই প্রশ্ন হাস্যকর কেননা উ্যয়েই ঐ প্রতিষ্ঠানের কাজে লাগছেন । প্রতিষ্ঠান উপকৃত হচ্ছে উভয়কে দিয়েই । সুতরাং প্রতিষ্ঠানের ইচ্ছামতো অমুক লেখক আধ ইঞ্চি বেশি আন্তরিক হল এই শারদীয় সংখ্যায় --- সামনের বছর অন্য কেউ দেড় ইঞ্চি আন্তরিক হবেন । এই ষড়যন্ত্র কতখানি গভীর এবং ব্যাপক তা পপত্যেক তরুণের লেখকের, আজ, বাংলা দেশে, বোঝার সময় এসেছে এবং এখনি সময়, ঐ প্রতিষ্ঠানকে আমূল উপড়ে ফেলার । তার জন্য দুটি জিনিস দরকার : ( এক ) ভাষা, ( দুই ) বন্দুক । প্রথম ভাষা ব্যাপারটিকে ধরা যাক । আমরা যে বাংলা ভাষায় আজ কথা বলি বা লিখি তা মোটামুটি রবীন্দ্রনাথেরই তৈরী । আমাদের বাক্যগঠন, বানানরীতি, শব্দবিচার সবই ঐ ছাব্বিশখণ্ড থেকে তৈরী হয়েছে । এবং আমি বা আপনি এটা যতো না ভালো জানি, প্রতিষ্ঠান জানে আরো ভালো ভাবে । সুতরাং আমাদের শাসনের জন্য, আমাদের সর্বস্ব গ্রাস করার জন্য ঐ ভাষাই ব্যবহৃত হচ্ছে । ঐ ভাষায় 'আত্মার স্বাধীনতা' ঘোষণা করা যায় না এবং 'আত্মার স্বাধীনতা' ঘোষণা যদি কবিতা হয়, তবে ঐ ভাষায় আজ আর কবিতা লেখাও চলে না । অর্থাৎ 'বাংলা ভাষা'তেই কবিতা লেখা অসম্ভব ।
কিন্তু বাংলা ভাষা মানে রবীন্দ্রনাথের ভাষা নয় ।
এবং কবিতা কী ?
মেদিনীপুরে একবার এক মহিলা কথাচ্ছলে বলেছিলেন :
চাষা কিবা বোঝে ঘি-এর মর্ম
আনে কর্পুর লাগায় পোঁদে
বস্তুত ঐ উক্তির গম্ভীর সারল্যে আমি অভিভূত হয়ে যাই এবং আজ আমার মনে হয় : "রূপনারানের তীরে জেগে উঠিলাম' যদি 'অবিনাশী কবিত্ব হয় তবে ঐ মহিলার উক্তি অধিকতর অবিনশ্বর । ( দ্রষ্টব্য : কে রবীন্দ্রনাথ : সমবেত প্রতিদ্বন্দ্বী : পৃষ্ঠা ১০২ সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় ) ।
সুতরাং, আমাদের নির্মমভাবে, এক নতুন ভাষা তৈরী করা দরকার । আমাদের প্রচলিত বাক্যরীতি, শব্দব্যবহার সমস্তই বর্জন করে এক অভিনব গদ্য তৈরি করা দরকার যা দিয়ে নাটক, কবিতা, গল্প সবই লেখা চলে । এর জন্য আমাদের খুঁজে বের করতে হবে গ্রামের শব্দ, লৌকিক বাক্যরীতি, আসামী উড়িয়া বিহারী বাক্যরীতি --- আমাদের যে নতুন ভাষা তৈরী হবে তা হল ঐ বিভিন্ন ভাষা পদ্ধতির সমন্বয় । আমরা ত্রাণ করতে পারি একমাত্র ঐ নতুন ভাষা দিয়ে ।
আর পারি বন্দুক দিয়ে ।
কেননা কর্তারা অনেকদিন হল ভুলে গেছেন ভয় কাকে বলে । লাইসেন্স নিয়ে মাথা ঘামাবেন না, কারণ যে কাজে ঐ মারণাস্ত্র ব্যবহার হবে তার জন্য পৃথিবীর কোনো সরকারই কোনোদিন লাইসেন্স দেয়নি । আমরা কাঁধে বন্দুক ঝুলিয়ে, জলের পাইপ বেয়ে, রাত্রির অন্ধকারতে উঠে যেতে চাই প্রিন্সিপালের শোবার ঘরে । ওখানেই আমরা তাঁর ইন্টারভিউ নিতে চাই । ভয় হচ্ছে সেই বস্তু যা শয়তানকে দিয়েও সত্য কথা বলায় । বলা বাহুল্য, প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসে প্রথমে আপনাকে নানারকম বোঝানোর চেষ্টা করবে । প্রতিষ্ঠান বলবে : ও হে, না হে, এটা ভালো নয় । আপনার তখন খুবই ইচ্ছে হবে তর্ক করে পরাস্ত করার । ( কেননা আপনার গায়ে তখনও শিক্ষিতের দুর্গন্ধ লেগে আছে ) প্রতিষ্ঠানই আপনাকে বুঝিয়েছে আপনি বুদ্ধিমান যেহেতু আপনি তর্ক করেন )। কিন্তু প্রতিষ্ঠান যখন আপনার হাত থেকে ছোঁ মেরে পয়সাগুলো কেড়ে নেয় তখন সে আপনাকে তর্কের অবকাশ দেয় কি ? ধরে নিলাম, আপনি ঐ ফাঁদে পা দিলেন না, কেননা আপনি তেমন লেখাপড়া করেননি । তখন প্রতিষ্ঠান বলবে : ওহে, অবনীবাবুকে মেরো না, ধরণীবাবুকে মারো । অর্থাৎ আপনার মনে সন্দেহ জাগানোর চেষ্টা করবে । আপনি ষদি ভাবতে শুরু করেন তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার চিন্তা কেটে যাবে কারণ নিজে শুনবেন পুলিশের বাঁশি ডাকছে ।
তরুণ লেখক ! আপনার উদ্দেশ্য হত্যা । আপনার লক্ষ্য ভায়োলেন্স । আপনি এতদিনে বুঝেছেন কবিতারই অপর নাম কার্তুজ এবং কবির অস্তিত্ব শতকরা একশোভাগ পোলিটিকাল ।
প্রতিষ্ঠান আপনাকে আরো নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করবে । সে ব্যবহার করবে আপনারই অতিপরিচিত শঠ শব্দগুলি । সে বলবে : তবে কি তোমরা সশস্ত্র বিপ্লব চাও ( খবরের কাগজের ভাষা : ঐ প্রতিষ্ঠানেরই মালিক । ) তবে কি তোমরা নিরীহ মা-বাপ ভাই-বোনেদের কথা ভুলে গেলে ( নাটকের ভাষা : ঐ প্রতিষ্ঠানেরই অভিনীত । ) আপনার তখন চিৎকার করে শুধু একটাই ঘোষণা করার থাকবে : আমি চাই কবিতা । আমরা চাই বন্দুক ।
আমরা, আজ, চাই কবিতা ও বন্দুক । এর মাঝামাঝি কোনো রফা নয় ।
ইতি
উৎপলকুমার বসু
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন